ডিএনসিসি মার্কেটেই থাকতে চান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িরা

ডিএনসিসি মার্কেটেই থাকতে চান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িরা

রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরের ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মার্কেটে ব্যবসা চালিয়ে যেতে চান বলে দাবি জানিয়েছে পাকা ও কাঁচা মার্কেট দোকান সমিতি। বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে ডিসিসি মার্কেটের প্রবেশপথে পৃথক সমাবেশ করে দুই সমিতির ব্যবসায়ীরা এ দাবি জানান।

সমাবেশে পাকা মার্কেট দোকান সমিতির কোষাধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান বলেন, আমরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের একটাই দাবি, আমরা এখানে ব্যবসা করতে চাই। যেহেতু তাদের ভবনটি ধসে পড়েনি, তাই তা মেরামত করে ব্যবসা করার সুযোগ দিতে হবে উত্তর সিটি করপোরেশনকে।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচা মার্কেট দোকান সমিতির ব্যবসায়িরা বলেন, যেহেতু সিটি কপোরেশনের মার্কেট এটি। তাই মেরামত করে মার্কেট চালুর দায়িত্ব তাদের।

সমাবেশে ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ও ক্ষতিগ্রস্তদের দোকান বরাদ্দ দিয়ে এরপর নির্মাণকাজ শুরুর দাবি জানান।

আগুন নেভানোর কাজে ফায়ার সার্ভিসের গাফিলতির অভিযোগ করে ব্যবসায়িরা বলেন, ২২ থেকে ২৩টি ইউনিটের কথা বলা হলেও আসলেই এসেছিল কি না, সে বিষয়ে তদন্ত করতে হবে।

এদিকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত গুলশান-১ ডিএনসিসি মার্কেটের পুড়ে যাওয়া বিভিন্ন দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। বাতাস বাড়লে বেড়ে যাচ্ছে ধোঁয়ার মাত্রাও। মার্কেটের অনেক দোকান থেকে মালামাল সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যেখান থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে পানি ছিটাচ্ছেন।

দুপুরে ফায়ার সার্ভিসের ইন্সপেক্টর এমরান হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, পানি ছিটানোর কারণে পুড়ে যাওয়া মালামাল স্তুপ আকারে জমাট বেঁধে গেছে। তাই অনেক জায়গায় পানি ঢুকছে না। যেসব জায়গা থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাত আড়াইটায় রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরের ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মার্কেট আগুন লাগে। এতে মার্কেটের কাঁচাবাজার অংশটি ধসে পড়ে। আর পুড়ে যায় পাকা মার্কেটের অনেক দোকান। এখনো মার্কেটের বিভিন্ন জায়গা থেকে ধোঁয়ার বের হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস তা নেভাতে কাজ করে যাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, খোলা জায়গাসহ ডিএনসিসি মার্কেটটির আয়তন প্রায় ১ লাখ ৮০০ বর্গফুট। পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে বিস্তৃত মার্কেটটির পাশাপাশি দুটি ভবন রয়েছে। পশ্চিমদিকের দোতলা ভবনটি ‘পাকা মার্কেট’ নামে পরিচিত। এটির নিচতলায় ফার্নিচার এবং দ্বিতীয়তলায় পোশাক, জুতা ও খেলাধূলার পণ্য বিক্রির খুচরা ও পাইকারি বাজার। পূর্বাংশে ‘কাঁচা ও সুপার মার্কেট’ নামের ভবনটি চারতলা। এর নিচতলায় কাঁচাবাজারের দোকান ও ওপরের তলাগুলোতে প্রসাধন ও খাদ্যপণ্যের পাইকারি দোকান। ধসে পড়া এই ভবনে ৪০০টি দোকান ছিল।

admin

The author didn't add any Information to his profile yet.

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked. *